এ বছরের তালিকায় বড় ধরনের রদবদল দেখা গেছে। টানা ১২ বছর শীর্ষে থাকা খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্টকে সরিয়ে তালিকায় ১ নম্বর স্থান দখল করেছে অ্যামাজন। খবর ফরচুন।
২০২৬ সালের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ২০২৫ অর্থবছরে অ্যামাজনের বার্ষিক আয় ১২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭১ হাজার ৬৯২ কোটি ৪০ লাখ ডলারে।
তালিকায় অ্যামাজনের ঠিক পরেই রয়েছে ওয়ালমার্ট। তৃতীয় স্থানে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে চীনের স্টেট গ্রিড করপোরেশন অব চায়না। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে ইউনাইটেড হেলথ গ্রুপ ও জ্বালানি প্রতিষ্ঠান সৌদি আরামকো।
আয়ের বিচারে অ্যামাজন শীর্ষে থাকলেও মুনাফার দিক থেকে ইতিহাস গড়েছে গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট। এতদিন সবচেয়ে বেশি মুনাফা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছিল জ্বালানি খাতের জায়ান্ট সৌদি আরামকো। এবার বিশ্বের সবচেয়ে লাভজনক প্রতিষ্ঠানের তকমা পেয়েছে অ্যালফাবেট।
অ্যালফাবেট গত বছর রেকর্ড ১৩ হাজার ২১৭ কোটি ডলার নিট মুনাফা করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩২ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে সৌদি আরামকোর মুনাফা ১১ দশমিক ৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ২৭৯ কোটি ডলারে।
অ্যালফাবেটের পরই রয়েছে এনভিডিয়া, অ্যাপল ও মাইক্রোসফট। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিট মুনাফা ১০ হাজার কোটি ডলার অতিক্রম করেছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ‘ম্যাগনিফিসেন্ট সেভেন’ নামে পরিচিত সাতটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত মুনাফা রেকর্ড ৬০ হাজার ৮০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
ফরচুন ৫০০ তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৪৩ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলার, যা বৈশ্বিক জিডিপির এক-তৃতীয়াংশের বেশি। তালিকায় প্রবেশের সর্বনিম্ন আয়ের সীমাও এবার বেড়ে ৩ হাজার ৩২০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।